• বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২১ পূর্বাহ্ন
Headline
বিশ্বমানের মানবসম্পদ গড়তে প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: রাষ্ট্রপতি পুরোনো আইন দিয়ে নতুন অপরাধ মোকাবিলা সম্ভব নয় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে জোর বিসিসিসিআই’র শহীদ ২ সেনা সদস্যের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রধানমন্ত্রীর শিশুদের সম্ভাবনা বিকশিত করতে মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের শতকোটির দুর্নীতি ধামাচাপা দিয়ে ড্রাইভার সাখাওয়াতের রাজকীয় অবসর: নেপথ্যে কারা? নীরব ফায়ার সার্ভিস ডেঙ্গু প্রতিরোধে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বিত প্ল্যান করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী কৃষিপণ্যের আমদানি কমাতে হবে : প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২১ সেপ্টেম্বর যাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্র স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আইআরআই প্রতিনিধিদলের বৈঠক

বিশ্ব বাবা দিবস আজ

Reporter Name / ৮০ Time View
Update : রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬

অনলাইন ডেস্ক: আজ বিশ্বের বহু দেশে জুন মাসের তৃতীয় রোববার পালিত হচ্ছে ‘ফাদার’স ডে’ বা বাবা দিবস। বাবাদের প্রতি ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের এই বিশেষ দিনটির পেছনে রয়েছে এক আবেগঘন ইতিহাস।বাবা দিবস পালনের ধারণাটি প্রথম আসে যুক্তরাষ্ট্রে। বাবা দিবসের সূচনা হয়েছিল এক নারীর হাত ধরে, যিনি বড় হয়েছেন একজন সিঙ্গেল বাবার স্নেহ ও আশ্রয়ে। তার নাম সোনোরা স্মার্ট ডড। সোনোরার মা সন্তান জন্ম দেওয়ার সময় মারা গেলে, তার বাবা উইলিয়াম স্মার্ট একাই ছয় সন্তানকে বড় করে তোলেন।

বাবা দিবস বা ফাদার্স ডে’র সূচনা যুক্তরাষ্ট্রে। এই দিবসকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দিতে অগ্রণী ভূমিকা রয়েছে সনোরা স্মার্ট ডড নামে এক নারীর।

১৯০৯ সালের আগে ওয়াশিংটনে বাবা দিবস পালনের কোনো প্রচলন ছিল না। সেসময় স্থানীয় গির্জায় ডড মা দিবস পালনের কথা জানতে পারেন। মা দিবস পালনের রীতি রয়েছে কিন্তু বাবা দিবস পালনের রীতি নেই জেনে তিনি ভীষণ অবাক হন। তারপর তিনি বাবা দিবসের স্বীকৃতির জন্য সোচ্চার হন।

সনোরা ডড তার বাবাকে অসম্ভব ভালোবাসতেন। শৈশবেই তিনি মাকে হারান। মায়ের মৃত্যুর পর শত দুঃখ-কষ্টের মধ্যে থেকেও তাদের সাত ভাইবোনকে বড় করে তুলেছিলেন তার বাবা একাই। বাবার এই ত্যাগ দেখে ডডের মনে হয়, মা দিবসের এত আয়োজন হলে বাবা দিবস কেন বাদ থাকবে। বাবাকে সম্মান জানানোর জন্যও একটা দিন থাকা দরকার।

দীর্ঘ এক বছরের প্রচেষ্টার পর ডডের উদ্যোগে স্থানীয় পর্যায়ে বাবা দিবস পালিত হয়। ১৯১০ সালের ১৯ জুন বিশ্বে প্রথমবারের মতো ‘বাবা দিবস’ পালিত হয়।

বিশেষ এই দিনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাবাকে নিয়ে স্মৃতিচারণ, শুভেচ্ছা ও ভালোবাসার বার্তায় ভরে ওঠে নেটিজেনদের টাইমলাইন। কেউ তুলে ধরছেন বাবার সংগ্রামের গল্প, আবার কেউ জানাচ্ছেন কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা।

বাবা শব্দটি ছোট, তবে বিস্তৃতি অনেক। বাবা শব্দের মাঝেই জড়িয়ে আছে ভালোবাসা, মায়া ও নির্ভরতা। একজন বাবা শুধু পরিবারের উপার্জনকারী নন, তিনি সন্তানের প্রথম শিক্ষক, প্রথম নায়ক এবং জীবনের কঠিন সময়ে সবচেয়ে বড় আশ্রয়।

সর্বোপরি একজন বাবা নিজের স্বপ্ন, ইচ্ছা ও আরাম বিসর্জন দিয়ে সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার নেপথ্য কারিগর।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category