নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার বাণিজ্য ও বিনিয়োগসংক্রান্ত বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলো নিয়মিত সংলাপ ও পারস্পরিক সফরের মাধ্যমে দূর করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বাণিজ্য সংগঠন অনুবিভাগের মহাপরিচালক মোহাম্মদ মোস্তফা জামাল হায়দার। মঙ্গলবার রাজধানীর গুলশানে বাংলাদেশ-চীন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিসিসিসিআই) কার্যালয়ে এক সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন। একই সঙ্গে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে দক্ষতা উন্নয়ন এবং একটি ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখার তাগিদ দেন তিনি।
মঙ্গলবার গুলশানে বাংলাদেশ-চীন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিসিসিসিআই) কার্যালয়ে এক সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন।
আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিসিসিসিআই’র আমন্ত্রণের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে মোস্তফা জামাল হায়দার বাংলাদেশ-চীন ব্যবসায়িক সম্পর্ক উন্নয়নে চেম্বারের উদ্যোগ ও ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, বিসিসিসিআই’র উত্থাপিত প্রস্তাবগুলো যথাযথ বিবেচনার দাবি রাখে।
বিসিসিসিআই সভাপতি মো. খোরশেদ আলম প্রধান প্রধান বিষয় ও প্রস্তাবসমূহ মহাপরিচালকের কাছে তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে- ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ আউটলেটের মাধ্যমে চীনে বাংলাদেশি পণ্যের প্রচার, দক্ষতা উন্নয়নে কারিগরি ও পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্থাপন, কাঁচামালের ঘাটতি মেটানো, চীনা বিনিয়োগে সহায়তা করা এবং দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ সমাধান।
বিসিসিসিআই সভাপতির উপদেষ্টা শহীদ আলম চেম্বারের বর্তমান কার্যক্রম ও সাম্প্রতিক অগ্রগতির কথা তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, বর্তমান কার্যনির্বাহী কমিটির অধীনে বিসিসিসিআই আগের বছরের তুলনায় আরও ব্যাপক পরিসরে, স্পষ্ট লক্ষ্যে এবং অধিক কার্যকারিতার সঙ্গে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
তিনি চেম্বারের সাম্প্রতিক নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পর্কেও মহাপরিচালককে অবহিত করেন এবং বলেন যে, প্রযোজ্য নিয়ম ও বিধি অনুসরণ করে সরকার নিযুক্ত একজন প্রশাসকের অধীনে নির্বাচনটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
তার মতে, এর ফলে একটি অংশগ্রহণমূলক ও সর্বজনগ্রাহ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা স্টেকহোল্ডারদের দ্বারা প্রশংসিত হয়েছে।
বৈঠকে বিসিসিসিআই’র মহাসচিব, সিনিয়র সহ-সভাপতি, সহ-সভাপতিবৃন্দ, পরিচালকবৃন্দ ও সদস্যবৃন্দ সহ চেম্বারের নির্বাহী পরিচালক উপস্থিত ছিলেন।